1. chowdhurymultimedia@gmail.com : ৭১ টাইমস্ ডেস্ক : ৭১ টাইমস্ ডেস্ক
  2. gazimamun902@gmail.com : gazi mamun : gazi mamun
  3. info@rizvibd.com : ৭১ টাইমস্ বিশেষ প্রতিবেদক : ৭১ টাইমস্ বিশেষ প্রতিবেদক
  4. newstvbd@gmail.com : timescom :
সংবাদ শিরোনাম :
বর্ষার শুরুতে কুমিল্লা’র সড়কের বেহাল দশা ! জনসমর্থন ও জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিতরা অপপ্রচারে লিপ্ত – সাজ্জাদ হোসেন  অসুস্থ মোবারক হোসেন এর পাশে শাকপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী হাসান বাবলু বরুড়া রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংস্থা অর্থায়নে গৃহ উপহার জামায়াতের সেক্রেটারি সহ কেন্দ্রীয় ৯ নেতা গ্রেফতার গোপন বৈঠক থেকে” মুক্তির দাবীতে বিক্ষোভ নেতাকর্মীদের টঙ্গীতে যুব মহিলা লীগের বিক্ষোভ হটাৎ কমিটি রদবদল ত্যাগীদের মাইনাসে হাইব্রিড অনুপ্রবেশ ঠাঁই! বাবার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শাখাওয়াত উল্লাহ শিপন গ্রেপ্তার হলেই পরে ভূয়া সাংবাদিক ! বরুড়ায় বঙ্গবন্ধুর ৪৬ তম শাহাদাত বার্ষিকী উৎযাপন বরুড়ায় জাতীয় শোক দিবসে রাজপথ রক্তার্ত আহত -৩ বরুড়া রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংস্থা’র উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবসে বৃক্ষ রোপন বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক ফোরাম(BNJF) কুমিল্লা জেলা কমিটি’র আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আরেক দফায় সস্তা হবে তামাকপণ্য, বাড়বে তামাকজনিত ক্ষতি

  • Update Time : শুক্রবার, ৪ জুন, ২০২১
  • ৩৫৭ Time View

তাৎক্ষণিক বাজেট প্রতিক্রিয়া ২০২১-২২

প্রজ্ঞা ও আত্মা

আরেক দফায় সস্তা হবে তামাকপণ্য, বাড়বে তামাকজনিত ক্ষতি

প্রস্তাবিত বাজেটে সিগারেট বাজারের প্রায় ৭২ শতাংশ দখলে থাকা নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অথচ  বিগত বছরের তুলনায় জনগণের মাথাপিছু আয় বেড়েছে ৯ শতাংশ। প্রস্তাবিত বাজেট কার্যকর হলে সিগারেটের প্রকৃতমূল্য হ্রাস পাবে এবং তরুণ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠী ধূমপানে উৎসাহিত হবে। একইসাথে বিড়ি এবং বহুল ব্যবহৃত জর্দা-গুলের দাম ও শুল্ক অপরিবর্তিত রাখায় নিম্ন আয়ের মানুষ বিশেষত নারীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়বে। প্রস্তাবিত বাজেট পাশ হলে লাভবান হবে তামাক কোম্পানি, সরকার হারাবে বাড়তি রাজস্ব আয়ের সুযোগ। লক্ষ লক্ষ মানুষের অকাল মৃত্যু, পঙ্গুত্ব এবং তামাকের নানাবিধ আর্থ-সামাজিক ও পরিবেশগত ক্ষতি অগ্রাহ্য করে তামাক ব্যবসা উৎসাহিত করার এই বাজেট প্রস্তাব সার্বিকভাবে চরম হতাশাজনক এবং একইসাথে প্রধানমন্ত্রীর ‘তামাকমুক্ত বাংলাদেশ’ ঘোষণার সাথে সাংঘর্ষিক।

প্রস্তাবিত বাজেটে নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সিগারেটের দাম ও শুল্ক অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। উচ্চ এবং প্রিমিয়াম স্তরে ১০ শলাকা সিগারেটের দাম যথাক্রমে ৫ টাকা (৫.২%) এবং ৭ টাকা (৫.৫%) বৃদ্ধি করে ১০২ টাকা এবং ১৩৫ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে এবং উভয় স্তরেই ৬৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বহাল রাখা হয়েছে। এর ফলে উচ্চ এবং প্রিমিয়াম স্তরে শলাকাপ্রতি সিগারেটের দাম বাড়বে যথাক্রমে ৫০ পয়সা ও ৭০ পয়সা, যা মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির তুলনায় অতি নগণ্য। অন্যদিকে, ক্রটিপূর্ণ করকাঠামোর কারণে এই দামবৃদ্ধির একটা অংশ তামাককোম্পানির পকেটে চলে যাবে। তামাক কোম্পানিগুলোর আয় বাড়বে এবং তারা মৃত্যুবিপণনে আরো উৎসাহিত হবে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। অথচ তামাকবিরোধীদের দাবি অনুযায়ী মূল্য স্তরভিত্তিক সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ করলে সরকার অতিরিক্ত ৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় অর্জন করতো যা করোনা মহামারি সংক্রান্ত ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় ব্যবহার করা সম্ভব হতো।

জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর বিড়ি এবং ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্য জর্দা, গুলের কর ও মূল্য প্রস্তাবিত বাজেটে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, যা অত্যন্ত হতাশাজনক। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি বিবেচনায় নিলে এসব তামাকপণ্য আরো সস্তা হয়ে পড়বে। ফলে দরিদ্র জনগোষ্ঠী বিশেষত নারীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি আরো বেড়ে যাবে।  বাংলাদেশে বর্তমানে তামাক ব্যবহারকারীদের মধ্যে ৫০ শতাংশেরও বেশি মানুষ ধোঁয়াবিহীন তামাক ব্যবহার করেন। বাস্তবতা হলো মোট তামাক রাজস্বের ১ শতাংশেরও কম আসে ধোঁয়াবিহীন তামাক থেকে। সরকার ধারাবাহিকভাবে ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্য থেকে বাড়তি রাজস্ব আয়ের ব্যাপক সুযোগ হারাচ্ছে। এভাবে তামাক কোম্পানিকে সুবিধা প্রদান করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত তামাকমুক্ত বাংলাদেশ অর্জন সম্ভব নয়।

প্রস্তাবিত বাজেটের প্রতিক্রিয়ায় প্রজ্ঞা’র (প্রগতির জন্য জ্ঞান) নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বলেন, “তামাকবিরোধী সংগঠনগুলোর কর ও দাম প্রস্তাবের কোন প্রতিফলন নেই প্রস্তাবিত বাজেট। তামাক কোম্পানিকে সুবিধা দিয়ে এই বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। এই প্রস্তাব পাস হলে আরেক দফা সস্তা হবে তামাকপণ্য, বাড়বে তামাকজনিত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি। তাই চূড়ান্ত বাজেটে আমাদের কর ও মূল্য প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানাচ্ছি। ”

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে একটি শক্তিশালী তামাক শুল্ক-নীতি গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছিলেন কিন্তু পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও উক্ত নির্দেশনার কোনো প্রতিফলন প্রস্তাবিত বাজেটে নেই।

অন্যান্য কর প্রস্তাবগুলোর মধ্যে, সিগারেট, বিড়ি, জর্দা, গুলসহ সকল তামাক কোম্পানির বিদ্যমান ৪৫ শতাংশ করপোরেট কর বহাল রাখার পাশাপাশি সকল প্রকার তামাকজাত পণ্য প্রস্তুতকারী করদাতার ব্যবসায় থেকে অর্জিত আয়ের উপর বিদ্যমান ২.৫% সারচার্জ বহাল রাখা হয়েছে।

করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের আঘাতে দেশের স্বাস্থ্যখাতসহ সামগ্রিক অর্থনীতি অত্যন্ত নাজুক অবস্থার মধ্যে পড়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে অধূমপায়ীর তুলনায় ধূমপায়ীর কোভিড-১৯ সংক্রমণে মারাত্মকভাবে অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। তবে সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তামাকপণ্যের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করতে প্রস্তাবিত বাজেটে কোনো কার্যকর কর ও মূল্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি, যা সার্বিকভাবে জনস্বাস্থ্য ও তামাকবিরোধীদের জন্য হতাশাজনক।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অনলাইন নীতিমালা মেনে আবেদনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল" বেস্ট লাইফ গ্রুপের একটি সহযোগী গণমাধ্যম © All rights reserved © 2020
Site Customized By Md. Farhad Hossain