Categories
Uncategorized

অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ছাত্রলীগ নেতা শারফিন রেজা দীপ্তর ইফতার বিতরণ

অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক শারফিন রেজা দীপ্ত ।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আহব্বানে, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্দেশে এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদি হাসানের পক্ষে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে উদ্ভুত সঙ্কট মোকাবেলায় নিম্ন মধ্যবিত্ত ও সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতা অব্যাহত রাখছেন মানবিক ছাত্রনেতা,ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পদক শারফিন রেজা দীপ্ত।
নিজ বাড়ি ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলায় দরিদ্র,অসহায় দুস্থ, দিনমজুর,শ্রমিকদের মাঝে ইফতার বিতরণ করেছেন ।
শারফিন রেজা দীপ্ত বলেন,করোনা মোকাবেলায় মাঠে থেকে সর্বোচ্চ কাজ করছে ছাত্রলীগ।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আহব্বানে,কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্দেশে এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদি হাসান ভাইয়ের পক্ষে এই ধরনের কার্যক্রম চলছে এবং চলবে।
Categories
Uncategorized

ত্রাণ দিলেন ১২ নং ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা আদর রহমান রানা

কোভিড-১৯ (করোনা ভাইরাস) এর উদ্ভুত সঙ্কট মোকাবেলায়,ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের এর সহ-সম্পাদক বি.এম. ফরহাদ অংকুর ভাইয়ের আহ্বানে সারা দিয়ে
শাজাহানপুর থানা ১২ নং ওয়াড আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য এবং সাবেক ছাত্র নেতা ( আদর রহমান রানা )
এর নিজ উদ্যোগে আজ মালিবাগ এলাকায় মানুষের মাঝে রমজানের উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয় যার মধ্যে ছিল এলাকার দরিদ্র, কর্মহীন মানুষ,রিক্সাওয়ালা ও ছিন্নমূল মানুষ।

মালিবাগ এলাকার জনগণকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে ও সেবা দিয়ে যাবে। সবাই দোয়া করবেন।

Categories
Uncategorized

একজন ধানবীর মহত মানুষ কবির আহমেদ ৫৪নং ওয়ার্ডের পেশাজীবীলীগ সভাপতি অসহায় হতদরিদ্রদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৫৪নং ওয়ার্ডের খাঁপাড়া রোডে পেশাজীবী লীগের সভাপতি কবির আহমেদ তিনি তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ৭শ’ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার ২১ মে সকাল ৯টা থেকে এ সময় তিনি সবাইকে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় জরুরী কাজ ছাড়া বাহিরে যাওয়ার জন্য নিষেধ করেছেন এবং যদি কেউ বের হয় তাহলে অবশ্যই মাস্ক পড়ে বের হওয়ার জন্য আহ্বান করেন। অসহায় খেটে খাওয়া মানুষগুলোর মাঝে এর আগেও তিনি ত্রাণ বিতরণ করেছেন।

এই করোনা ভাইরাস যতদিন থাকবে ততদিন তিনি এ ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। তিনি আমাদেরকে বলেছেন সারাদেশ করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় হিমশীম খাচ্ছে। থেমে যাচ্ছে দেশের অর্থনীতির চাকা। মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নেতাকর্মীরা। যেখানে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ত্রাণ সার্বক্ষণিক ওয়ার্ড পর্যায়ে ত্রাণ বিতরণ করে চলেছেন স্থানীয় কাউন্সিলরবৃন্দ। সেখানে তাদের সাথে আমি আমার ব্যক্তিগত অর্থায়নে কিছু ত্রাণ দিয়ে জনসাধারণের সেবা করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমার এটুকুই চাওয়া আমি এদেশের মানুষ না খেয়ে যেন কষ্ট না করে। আমি যতটুকু পারি আমার পক্ষ থেকে আমি এ ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রাখবো।

সে সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন, ফরহাদ হোসেন, খোরশেদ আলম, মো: জিলানী। এছাড়াও তার সহযোগিরা। সর্বপরি তিনি দেশের মানুষের কাছে তাদের পরিবারের সকলের জন্য দোয়া চেয়েছেন এবং সবাইকে পবিত্র ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

Categories
Uncategorized
Categories
দেশ-বিদেশ

আসুন জেনে নিই, কোন সংকেতের কী মানে

ঘূর্ণিঝড় আম্পান ধেয়ে আসছে উপকূলের দিকে। এরই মধ্যে আবহাওয়া বিভাগ মোংলা ও পায়রা বন্দরে ৭ নম্বর এবং চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার বন্দরে ৬ নম্বর বিপৎসংকেত জারি করেছে।

বিভিন্ন সংকেতের মানে এবং ঝড়ের মাত্রা ও ক্ষয়ক্ষতি ভিন্ন রকমের। ঘূর্ণিঝড়সহ অন্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগে আবহাওয়া অধিদপ্তর কিংবা স্থানীয় প্রশাসন নানা ধরনের সতর্কসংকেত মাইকে প্রচার করে। এর মাধ্যমে এলাকাবাসীকে সতর্ক করতে চায়। কিন্তু উপকূলের অধিকাংশ মানুষই তা বোঝেন না। তাই তাঁরা ঘর ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে চান না। আর এ কারণে বেশি ক্ষয়ক্ষতির শিকার হতে হয় তাঁদের। আসুন তাই জেনে নিই, কোন সংকেতের মানে কী।

ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কেন্দ্রের কর্মকর্তারা জানান, দুর্যোগ-পূর্ববর্তী এলাকাভিত্তিক বিভিন্ন সংকেত মাইকে প্রচার করা হয়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে—দূরবর্তী সতর্কসংকেত, দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত, স্থানীয় সতর্কসংকেত, স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত, বিপৎসংকেত, মহাবিপৎসংকেত ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সংকেত।

ঝড়ের সময় আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া সমুদ্রবন্দরের ক্ষেত্রে ১১টি এবং নদীবন্দরের ক্ষেত্রে ৪টি সংকেত নির্ধারিত আছে। এই সংকেতগুলো সমুদ্রবন্দর ও নদীবন্দরের ক্ষেত্রে ভিন্ন বার্তা বহন করে।

সমুদ্রবন্দরের জন্য ১১টি সংকেত

উপকূলীয় এলাকায় মানুষজনকে সতর্কবার্তা দিতে সংকেত পতাকা উত্তোলন করছেন ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির স্বেচ্ছাসেবকেরা। সোমবার দুপুরে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা এলাকায়। ছবি: প্রথম আলো১ নম্বর দূরবর্তী সতর্কসংকেত: জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার পর দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সম্মুখীন হতে পারে। দূরবর্তী এলাকায় একটি ঝোড়ো হাওয়ার অঞ্চল রয়েছে। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬১ কিলোমিটার। ফলে সামুদ্রিক ঝড়ের সৃষ্টি হবে।

২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত: গভীর সাগরে একটি ঝড় সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কিলোমিটার। বন্দর এখনই ঝড়ে কবলিত হবে না, তবে বন্দর ত্যাগকারী জাহাজ পথে বিপদে পড়তে পারে।

৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত: বন্দর ও বন্দরে নোঙর করা জাহাজগুলোর দুর্যোগ কবলিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বন্দরে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে এবং ঘূর্ণি বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিলোমিটার হতে পারে।

৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত: বন্দর ঘূর্ণিঝড়–কবলিত। বাতাসের সম্ভাব্য গতিবেগ ঘণ্টায় ৫১-৬১ কিলোমিটার। তবে ঘূর্ণিঝড়ের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়ার মতো তেমন বিপজ্জনক সময় হয়নি।

৫ নম্বর বিপৎসংকেত: বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কিলোমিটার। ঝড়টি বন্দরকে বাঁ দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

৬ নম্বর বিপৎসংকেত: বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতার এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কিলোমিটার। ঝড়টি বন্দরকে ডান দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

৭ নম্বর বিপৎসংকেত: বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতার এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কিলোমিটার। ঝড়টি বন্দরের ওপর বা এর কাছ দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

৮ নম্বর মহাবিপৎসংকেত: বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতার ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়তে পারে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার বা এর বেশি হতে পারে। প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরকে বাঁ দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করবে।

৯ নম্বর মহাবিপৎসংকেত: বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতার এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার বা এর বেশি হতে পারে। প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরকে ডান দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করবে।

১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত: বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতার এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার বা তার বেশি হতে পারে।

১১ নম্বর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সংকেত: আবহাওয়ার বিপৎসংকেত প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং স্থানীয় আবহাওয়া কর্মকর্তা পরিস্থিতি দুর্যোগপূর্ণ বলে মনে করেন।

নদীবন্দরের জন্য চারটি সংকেত

১ নম্বর নৌ সতর্কতা সংকেত: বন্দর এলাকা ক্ষণস্থায়ী ঝোড়ো আবহাওয়ার কবলে নিপতিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার গতিবেগের কালবৈশাখীর ক্ষেত্রেও এই সংকেত প্রদর্শিত হয়। এই সংকেত আবহাওয়ার চলতি অবস্থার ওপর সতর্ক নজর রাখারও তাগিদ দেয়।

২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত: বন্দর এলাকায় নিম্নচাপের সমতুল্য তীব্রতার একটি ঝড়, যার গতিবেগ ঘণ্টায় অনূর্ধ্ব ৬১ কিলোমিটার বা একটি কালবৈশাখী, যার বাতাসের গতিবেগ ৬১ কিলোমিটার বা তদূর্ধ্ব। নৌযান এদের যেকোনোটির কবলে নিপতিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ৬৫ ফুট বা তার কম দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট নৌযানকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে।

ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় জনসাধারণকে সচেতন করতে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় সোমবার মাইকিং করা হয়। ৩ নম্বর নৌ বিপৎসংকেত: বন্দর এলাকা ঝড়ে কবলিত। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ একটানা ৬২-৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিবেগের একটি সামুদ্রিক ঝড় শিগগিরই বন্দর এলাকায় আঘাত হানতে পারে। সব নৌযানকে অবিলম্বে নিরাপদ আশ্রয় গ্রহণ করতে হবে।

৪ নম্বর নৌ মহাবিপৎসংকেত: বন্দর এলাকা একটি প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতার সামুদ্রিক ঝড়ে কবলিত এবং শিগগিরই বন্দর এলাকায় আঘাত হানবে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার বা তদূর্ধ্ব। সব ধরনের নৌযানকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে হবে।

Categories
বাংলাদেশ

ঘূর্ণিঝড় আম্পান আরও শক্তিশালী, বড় জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা

ঘূর্ণিঝড় আম্পান আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। এ কারণে মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ও কক্সবাজারকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আজ সোমবার বিকেলে আবহাওয়া দপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় আম্পান আরও ঘনীভূত হয়েছে। এটি আজ বেলা তিনটায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১০৭৫, কক্সবাজার থেকে ১০১৫, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৮৫ এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণ–পশ্চিমে অবস্থান করছিল। ঘূর্ণিঝড়টি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর দিকে অগ্রসর হতে পারে। পরে এটির দিক পরিবর্তন করে উত্তর উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে খুলনা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে ১৯ মে মধ্যরাত থেকে ২০ মে বিকেল অথবা সন্ধ্যার মধ্যে বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৮৫ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ২১০ কিলোমিটার, যা দমকা হাওয়ার আকারে ২২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এতে কেন্দ্রের কাছে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

আবহাওয়া দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো।

ঘূর্ণিঝড় ও অমাবস্যার প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম ও এর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪-৫ ফুটের বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। ঘূর্ণিঝড় অতিক্রমের সময় এসব এলাকায় অতি ভারী বৃষ্টিসহ ঘণ্টায় ১৪০ থেকে ১৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার সব নৌকা ও ট্রলারকে অতি দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে।